শিশুর পোশাক

ঈদে শিশুদের জুতা কিনতে যা খেয়াল রাখা জরুরী

ঈদ মানেই আনন্দ-উচ্ছ্বাস। সেই সঙ্গে শিশুর নতুন পোশাক কেনার ধুম। আর এই পোশাকের সঙ্গে যদি মানানসই জুতা হয়ে যায়, তাহলে তো আর কোনো কথা নেই।

ঈদে শিশুদের পোশাকের পাশাপাশি কেনাকাটায় সব থেকে বেশি প্রাধান্য পায় জুতা। নানা রঙের এবং নকশার জুতা রয়েছে ঈদ বাজারে। আর পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে জুতা কেনা হলেই কেনাকাটা পরিপূর্ণ হয়ে যায়। তবে শুধু পোশাকের সঙ্গে মানানসই হলেই চলবে না, এবার ঈদে জুতা নির্বাচনে আবহাওয়ার বিষয়টিও মাথায় রাখা প্রয়োজন। ঈদে সোনামণির জন্য কেমন জুতা এসেছে জেনে নিন। রোজার শুরুতেই বাবা-মায়েদের প্রথম প্রাধান্য থাকে তাদের ছোট্ট সোনামণির ঈদ শপিং। পোশাকের সঙ্গে নতুন জুতা পেলে শিশুদের আনন্দের কমতি থাকে না। ঈদে পোশাকের পর বায়না থাকে শিশুর নতুন জুতা বা স্যান্ডেল। আবার এই জুতা হতে হবে পোশাকের সঙ্গে ম্যাচিং। এ সময় বাবা-মায়েরাও চিন্তিত থাকেন, কেন না সৌন্দর্যের পাশাপাশি আরামদায়ক জুতা কি না সে বিষয়টিও মাথায় রাখতে হয়। তাই জুতা নির্বাচনে সচেতন থাকা জরুরি।

ঈদে শিশুদের জুতা কিনতে যা খেয়াল রাখা জরুরী
ঈদে শিশুদের জুতা কিনতে যা খেয়াল রাখা জরুরী

তাই ঈদে ছোটো বাচ্চাদের জুতা কেনার আগে এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন-

১. ফ্যান্সি জুতার বদলে আরামদায়ক হবে এমন জুতা বেছে নিন। বাচ্চাদের ফ্যাশনের থেকে বেশি জরুরি তাদের সুস্বাস্থ্য।

২. চামড়া বা সুতি কাপড়ের তৈরি জুতা বেছে নিন। ফ্যান্সি প্লাস্টিকের জুতা প্রথম থেকেই এড়িয়ে চলুন। নয়তো তা ওই ছোট্ট পায়ে অস্বস্তির কারণ দেখা দিলেও দিতে পারে।  দেখবেন, জুতার ওজনও যাতে বেশি না হয়।

৩. শক্ত চামড়ার জুতা এড়িয়ে চলাই ভালো। যেহেতু এই সময় বাচ্চারা খুব তাড়াতাড়ি বড় হয়, তাই খুব টাইট জুতা বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

৪. জুতার সোল ভালো করে দেখে নিন। দেখে নিন বাচ্চা তাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে কি না।  খুব বেশি শক্ত সোল এড়িয়ে চলাই ভালো।

ঈদে শিশুদের জুতা কিনতে যা খেয়াল রাখা জরুরী
ঈদে শিশুদের জুতা কিনতে যা খেয়াল রাখা জরুরী

৫. ছোটো মেয়েদের হাইহিল স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।তাই বাচ্চাকে মনের মতো সাজাতে হলে বেছে নিন মনের মতো সুন্দর ও স্টাইলিশ জুতা।এমন জুতা যাতে হিল নেই, কিন্তু আরাম আছে।

৬. বাচ্চার জুতার সাইজ তার পায়ের মাপ বরাবর হওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত বড় বা খুব টাইট জুতা একেবারেই পরাবেন না।

৭. ক্যানভাস জাতীয় জুতা কিনলে ভালো করে দেখে নিন, তা পায়ে ঠিক করে ফিট হয়েছে কি না।

৮. বাচ্চাদের বাড়ন্ত বয়সে সময় সময় জুতা বদলানো প্রয়োজন। একবার কিনে বহুদিন চলে যাবে এমন চিন্তাভাবনা জুতার ক্ষেত্রে না রাখাই ভালো।

Back to top button